নিজের কথা

সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর

তারিক সালসাবিল

”Be aware of your own worth,use all of power to achieve it.Create an ocean from a dewdrop.Do not beg light from the moon,obtain it from the spark within you”

-তোমার যোগ্যতার ব্যাপারে সচেতন হও।প্রয়োজনে অন্তর্নিহিত সকল শক্তি ব্যয় করো তা অর্জনে।একটি জলের ফোঁটা থেকে তৈরি করো এক বিশাল সমুদ্র। চাঁদের কাছে কখনো আলো ধার চেয়ো না।নিজের ভেতরের অগ্নিস্ফুলিংগ দিয়ে সে আলো জ্বালো পরম সোৎসাহে।

কিছু কথা কখনো কখনো তীরের চাইতেও অধিক শক্তিশালী। খুব সহজেই বিদ্ধ করতে পারে যে কোন দুর্বল সংকল্পের আত্মাকে।

যে কোন দুর্বল হৃদয়ে ক্ষণিকেই জ্বেলে দিতে পারে অসীম সাহসিকতা আর জীবনে আকস্মিক ও বৈপ্লবিক বাঁক বদলের কোন আগ্রাসী জ্যোতি।

আর সে কথা যখন ইকবালের মুখ নিঃসৃত হয় তাহলে তো আর কথায়ই নেই!জ্বি,হ্যাঁ,পাঠক যা ভাবছেন তাই।

মহাকবি আল্লামা ইকবালের মুখ নিঃসৃত বাক্যবাণই ওগুলো।রোমাঞ্চ ও শিহরণ জাগানিয়া একেকটা বুলি।

ইকবালকে বলা হয় প্রাচ্যের কবি বা শায়ের-ই-মাশরিক। দক্ষিণ এশিয়া ও উর্দু ভাষা-ভাষী বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলেই তাকে ও নামে ডাকা হয়।

এছাড়াও তিনি একাধারে মুফাক্কির-ই-পাকিস্তান ( مفکر پاکستان‎‎,পাকিস্তানের চিন্তাবিদ ), মুসোয়াওয়ার-ই-পাকিস্তান ( مصور پاکستان‎‎, ‘পাকিস্তানের শিল্পী’) এবং হাকিম-উল-উম্মাত ( حکیم الامت‎‎, ‘উম্মাহর ভরসা’) ইত্যাদি নামে পরিচিত।

ইকবাল!আধুনিক সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী মুসলিম দার্শনিক ও চিন্তাবিদ ভাবা হয় তাকে।যাঁর কল্পনাশক্তি সিংহের ন্যায় আগ্রাসী।যাঁর যুক্তি ও দর্শন বাঘের নখের মতো ক্ষুরধার।
যার চিন্তা ও দর্শন দ্বারা আজ পর্যন্ত প্রভাবিত মুসলিম উম্মাহ ও তাবৎ বিশ্ব সম্প্রদায়।

অন্যদিকে ভারতীয়, পাকিস্তানি, বাংলাদেশী, ইরানিয়ান এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি হিসেবে এখনো প্রশংসিত হন তিনি।ফার্সি ভাষা ও সাহিত্যে তার অবদান এখনো ইরানি জাতিসত্তা নাকচ করতে পারে না।ইরানে পরিচিত তিনি’ইকবাল-ই-লাহোরী’ নামে।

পৃথিবী মনে হয় খুব কম মানুষকেই দেখেছে এমন যার চিন্তা,দর্শন,প্রতিভা মৃত্যুর প্রায় এক শতাব্দী পরেও এখনো আশাতীত ভাবে মানব মস্তিষ্কে ঝড় তুলে যাচ্ছে । অহরহ মন মগজের পরিবর্তন হানছে জ্ঞানান্বেষণে ডুবসাঁতার দেওয়া নতুন কোন সমাজ চিন্তক বা বিপ্লবীর।তাইতো ইকবালের এত নাম,এত যশ,এত জৌলুশ।যারপরনাই তাকে এতো নামে ডাকার পরেও মানুষের আত্মা আজও পরিতৃপ্ত নয়।

একাধারে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে এ দার্শনিক সমান জনপ্রিয়।ইকবাল আজন্ম রচে গেছেন শাশ্বত ও চিরন্তন প্রেমের মোহনীয় গৌরবগাঁথা।

ইকবাল বলেন:
‘কী হাকছে ফারিশতা উনে ইকবাল কী গমমাজী গুসতাখ হ্যায় করতা হ্যায় ফিতরাত কি হিমা বান্দী
খাকী হ্যায় মগার ইশকে আন্দাজ হ্যায় আফলাকী’

– কোন অধিকারে ফেরেশতারা ইকবালের অতীতের ভুলগুলোর হিসাব লিখবে?
ভুলগুলোর মাঝে আমি তো আজন্ম বন্দি হয়েই আছি।যদিও মাটির মানুষ আমি, কিন্তু অসীম প্রেম উঁচু আকাশের অধিবাসী করেছে আমাকে।

আসলেই,মাটির ভূলোকে থেকেও তাই আকাশ-বাতাস- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্রষ্টার সাথে ছিলো তার অসংজ্ঞায়িত ও অকল্পনীয় প্রেম।

একসাথে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রতিটি স্তরে বিচরণ করায় তার কাব্যে প্রাচ্যে ও পাশ্চাত্যের এক অপূর্ব সম্মিলন ঘটেছে।এতে করে ইকবাল কাব্যে-প্রতিভা, জ্ঞান,বাস্তবসম্মত জ্ঞান,ঐশ্বরিক প্রেমের অনুপম সম্মিলন ঘটে।যা অনুপম রসাবেশ সহজেই রস পিপাসুদের আকৃষ্ট করে।যার ফলে তাঁর চিন্তা ও দর্শনের বাণী কেড়ে নেয় তাবৎ সব চিন্তাশীলদের হৃদয়।

জড়তা, ক্লীবতা ও দুর্গতির গহ্বরে নিপতিত মাঠ-ঘাটের এবং পথ-প্রান্তরের মানুষ খুঁজে পায় অভূতপূর্ব শিহরণ ও কর্মচাঞ্চল্য। সূফী কবি মাওলানা জালাল উদ্দীন রূমি ছিলেন ইকবালের কাব্যপথের আলোকবর্তিকা।কথায় আছে চুম্বকের আবেশে লোহাও চুম্বকে পরিণত হয়।রূমি যেমন বিশ্ববাসীর হৃদয়ে আজো উদ্ভাসিত ঠিক তেমনি তাঁর আবেশে আবেশিত হয়ে ইকবাল পেয়েছেন জগৎজোড়া খ্যাতি।

সাধনামুখর জীবন দার্শনিক ইকবাল তাঁর সৃষ্টিকর্মে ও কাব্যযজ্ঞে স্রষ্টাপ্রেম,ভাগ্য-জীবন,আত্মতত্ত্ব, রাজনীতি,আধ্মাত্যবাদ, শিক্ষা,ধর্মতত্ত্ব,নীতিবিদ্যা,প্রেম,সুফীতত্ত্ব প্রভৃতি বিষয়াবলী তুলে ধরেছেন পরম যত্নে। সেগুলোতে তাঁর দর্শনের যুগবাণী ব্যাপিত হয়েছে চিরাচরিত নিয়মে।

ইকবাল মতপ্রকাশ করেন সৃষ্টিজগতের জীবনমুখর নানান বিষয়ে:

ধর্ম নিয়ে ইকবালের দর্শন হচ্ছে- ‘ধর্ম কোনো মতবাদ নয়, কোনো পৌরহিত্য নয়, কোনো অনুষ্ঠান নয়, বরং ধর্ম এমন একটি জীবনবিধান যা মানুষকে বিজ্ঞানের যুগেও তার দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত করে এবং তার প্রতীতিকে দৃঢ় সক্ষম করে দেয়, যার ফলে সে সত্যোপলব্ধিতে সক্ষম হয়ে উঠে।’ তিনি আরও বলেন, ধর্ম পদার্থ বিদ্যাও নয়, রসায়ন শাস্ত্রও নয় যে, ল্যাবরেটরীতে তাকে Experiment ও পরীক্ষা করে বুঝতে হবে। ইকবালের ভাষায়,
Religion aims at realing the real signigicance of a special variety of woman experience.”

জাতপাত, বৈষম্য নিয়েও ইকবালের ছিল নিজস্ব ভাবনা। জাতিতে জাতিতে, বর্ণে বর্ণে, গোত্রে গোত্রে সংঘাতের ফলে মানব জাতি আজ যেভাবে দ্বিধা বিভক্ত হয়ে পড়েছে-সেজন্য ইকবাল সব ক্ষুদ্রতার উর্ধ্বে এক বিশ্বজনীন জীবনাদর্শের প্রয়োজন অনুভব করেছেন।তিনি বলেন- ‘আরব আমার ভারত আমার চীন গো আমার নহে গো পর, বিশ্ব জোড়া মুসলিম আমি সারাটি জাহান বেঁধেছি ঘর।’

সমাজ সম্পর্কে ইকবাল বলেন, ‘আল্লাহর একত্ব, সার্বভৌমত্ব ও মানব ভ্রাতৃত্বই হল ইসলামী সমাজের মূল বিষয়। সমাজ ছাড়া ব্যক্তির চিহ্ন নেই। সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা ব্যক্তিকে সুসংহত করে তোলে। সমাজ জীবন মানুষের পক্ষে অপরিহার্য। বুদ্ধি, আবেগ ও উজ্জ্বল্য প্রশংসার। কিন্তু কেবল মাত্র বুদ্ধিমত্তা যথাযথ নয়। প্রেম ও নীতির যাদুস্পর্শ ছাড়া বুদ্ধি নিরর্থক ।ঈমান, চিন্তা ও আবিষ্কার সুন্দর জীবনের তিনটি নক্ষত্র।

তাঁর মতে, মার্কসীয় সমাজতন্ত্রবাদের বৈষয়িক সাম্য ও পাশ্চাত্য সম্রাজ্যবাদের কাগজী গণতন্ত্র উভয়ই তার সমালোচনার কষাঘাতে জর্জরিত হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘সাম্রাজ্যবাদের দানব, গণতন্ত্রের মুখোশ পরে নৃত্য করে। আর তুমি ভাব যে স্বাধীনতার পরীরা সব নাচছে।’

রাজনীতি নিয়ে ইকবালের দর্শন হচ্ছে- ‘রাজনীতির মূল রয়েছে মানুষের আত্মিক জীবনের গভীরে।’

দেশপ্রেম নিয়ে ইকবালের উল্লেখযোগ্য উক্তি হচ্ছে- ‘আমার দৃষ্টিতে দেশ প্রেম এবং দেশ পূজা এক কথা নয়।’

শিল্প বিজ্ঞান সম্পর্কে ইকবালের ধ্যান ধারণা স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি বলেন, ‘নীতিবোধ ও সুষ্ঠু জীবনবোধ ছাড়া শিল্প বিজ্ঞান সব ব্যর্থ। সত্যের মূর্ত প্রতীক ও প্রতিচ্ছবি হল শিল্প বিজ্ঞান।’

রাষ্ট্র সম্পর্কে ইকবালের বক্তব্য ছিল সুস্পষ্ট। তিনি বলেন, “The state According to Islam, in only an ebbort to realize the Spiritual in a human organization, But in this sense all state not based on mere domination and aiming at the realization of ideal principles, is theoretic.”

আল্লামা ইকবালের দর্শনের মূল কথা হচ্ছে খুদী বা আত্মা। খুদী বা আত্মার ধারণার উপর ভিত্তি করেই তার দর্শনের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে। যা মূলত আধ্মাত্যবাদের নিশানাই বহন করে।

তাঁর মতে খুদী বাস্তব সত্তা এবং নিজের শক্তিতেই এই সত্তা অস্তিত্বশীল। অতিন্দ্রিয় অনুভূতির মাধ্যমে আমরা এই সত্তাকে জানতে পারি।

তিনি বলেন-‘খুদীকে এইরূপ উন্নত কর যে, তোমার প্রতিটি ভাগ্যলিপি লিখার পূর্বে খোদা যেন শুধান, কি তোমরা অভিপ্রায়।’

তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আসরার-ই-খুদী ১৯১৫ সালে ফারসি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল। অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলি হলো রুমুজ-ই-বেখুদী ,পয়গাম-ই -মাশরিক এবং জুবুর-ই -আজাম। এর মধ্যে তাঁর বিখ্যাত উর্দু রচনাগুলি হ’ল বাং-ই -দারা ,বাল-ই-জিবরাইল এবং আরমাঘান-ই-হিজাজ।

ইকবাল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত মুসলিম উম্মাহর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন ত্রাণকর্তার মতো।খুলে দিয়েছিলেন আজাদী আন্দোলনের এ তীর্থভূমি তথা ভারতবর্ষে মুসলিম নবজাগরণের দ্বার।

যাঁর চিন্তক ও দর্শন সফলতার ফলাফল ভারতবর্ষে মুসলিমদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা। নবগঠিত ‘পাকিস্তান’ যার নাম।তাঁর দর্শন আর উল্লেখযোগ্য তৎপরতায়ই জ্বলেছিলো উপমহাদেশে মুসলিম জাগরণের নতুন রৌশনি।

পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ‘পাকিস্তানের জাতীয় কবি’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাঁর জন্মদিন ইয়াম-ই-ওয়েলাদাত-ই মুহাম্মাদ ইকবাল (উর্দু: یوم ولادت محمد اقبال‎‎) বা ইকবাল দিবস।যা পাকিস্তানের সরকারী ছুটির দিন হিসেবে পালন করা হয়।

আল্লামা ইকবাল উপমহাদেশের মুক্তিকামী মানুষের আত্মজাগরণের পথিকৃৎ। তাঁর সৃষ্টিকর্ম,শিক্ষা,চিন্তা ও দর্শনের মধ্যে আমাদের জাতিসত্তার আত্মপরিচয়ের স্বভাব ও স্বরূপ অসামান্য উজ্জ্বলতায় উৎকীর্ণ। ফলে ইকবাল সত্তায় শুধুমাত্র এক কবির বসবাস নয় বরং রয়েছে এক মহান আদর্শের উত্তরাধিকার।তাঁর আবির্ভাব ছিলো উপমহাদেশের ঘোরতর দুঃসময়ে ত্রাণকর্তার মতো।

তাঁর স্বতন্ত্র, দুঃসাহসী উচ্চারণ চুরমার করতে চেয়েছে পরাধীন মানুষের হীনম্মন্যতার দেয়াল। তাদের চেতনার নীল আকাশ মুখর করে তুলেছে তার চিন্তার জ্যোতিষ্কের কোলাহলে। সহিষ্ণু মুসলিম চেতনাসীমায় ইকবালের কবিতা ছিলো স্বপ্নের পুনরুত্থানের মতো। তাঁর চিন্তাধারা ছিলো স্বর্গের সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসা নবজন্মের ইশতেহার। ক্ষুদ্রতার, সংকীর্ণতার, সংস্কারের সকল প্রাচীরের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলো তার কবিতা। ফলে সেই কবিতার জগত ছিলো গতির গমক, চিন্তার চমক ও দ্রোহী পদক্ষেপে প্রকম্পিত।

ইকবালের কবিতায় কান পাতলেই মানবাত্মার কুচকাওয়াজের শব্দ শুনা যায়। শুনা যায় বসন্তের হাসির মতো ছলকে উঠা শিল্পস্রোতের মোহনীয় রব। ফারসী ও উর্দু উভয় ভাষারই অজস্র কবিতা ও পংক্তিমালায় ইকবাল মিনারসমূহের সুদূরবর্তী ইশারা ও আরবীয় মরু বালুকার চাকচিক্যময় স্বপ্ন আমাদের চোখে জাগিয়েছেন সুনিপুণ দক্ষতায়।রংতুলির আঁচড় দিয়ে ক্যানভাসে সৌন্দর্যের মহাযজ্ঞ শুরু করা কোন চিত্রশিল্পীর মত…

আজ ইকবালের ৮২ তম প্রয়াণ দিবসে এসেও তাঁর চিন্তা আর দর্শনগুলি মুসলিম নবজাগরণের প্রণোদনা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। হয়তোবা পৃথিবীতে মুসলিমদের নবউন্মেষেও তাঁর সৃষ্টি ভূমিকা রেখে যাবে।বেঁচে থাকবে কালের সকাশে চিরকাল।
তাঁর কবিতা এখনো কালে কালে বিচলিত করে তুলে যুগের নকীবদের এভাবেই:

‘মুসলিম সব! আজ আমাদের তাই
বৃথা আশা বিজ্ঞানের এই সর্বনাশা দানে
আহরেমান খুব সহজলভ্য আজ
দুষ্প্রাপ্য আজ খোদা, তাঁরে কেউ তো নাহি মানি।
ইনকিলাব
বলছি ডেকে!
ইনকিলাব
দাঁড়াও রুখে!
ইনকিলাব
বাঁচার সুখে!

মিথ্যা কথার চাটুকতায় দ্যাখো
পড়ছে ঢাকা সত্য কেমন করে
অন্ধ বাদুড় জটলা পাকায় বুঝি
সূর্যালোকে নিভিয়ে দেয়ার তরে।
ইনকিলাব
বলছি ডেকে!
ইনকিলাব
দাঁড়াও রুখে!
ইনকিলাব
বাঁচার সুখে!’

জাগুক সহস্র প্রাণ আবারো।ইকবালের ইনকিলাবের ধ্বনিতে উদ্দাম নৃত্য করুক কাল থেকে কালের উন্মত্ত,সাহসী ও সত্য উন্মোচনের বিপ্লবীরা।আর তার ধুঁয়া ভোরের কুয়াশার মতো রহস্যাবৃত চাদরে মুড়ি দিয়ে গমন করুক লাহোরের বাদশাহী মসজিদের প্রাঙ্গনে কালঘুম দেওয়া শতাব্দীর নকীব আল্লামা ইকবালের সমাধিসৌধে…

ফেইসবুক থেকে করা মন্তব্যসমূহঃ

মন্তব্য করুনঃ

avatar
  Subscribe  
Notify of
Close